Monday, May 23, 2016

ফুটবল খেলতে ভারতে আসছেন জেমস বন্ড

ফাইল ছবি
ব্রাজিলকে ফুটবলের তীর্থ বলা হয়। ভারত সেই তীর্থস্থান নয়। আবার ড্যানিয়েল ক্রেগও কোনো ফুটবলার নয়। অথচ, এই ক্রেগই ফুটবল খেলতে আসছেন ভারতে। অবশ্যই চ্যারিটি ম্যাচ খেলতে। সেটাও আগামী মাসে।
জুন মাসের ১১ তারিখে দিল্লিতে বলিউডের তারকা এবং রাজনীতিবিদদের নিয়ে একটি ফুটবল ম্যাচ হওয়ার কথা। সেখানেই বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেমস বন্ড ড্যানিয়েল ক্রেগ। পাশাপাশি, গোলের নেশায় মাঠেও নামবেন।
বলিউডের টিমে থাকার কথা রণবীর কাপুর, অভিষেক বচ্চন, অর্জুন কাপুর, সিদ্ধার্থ মলহোত্রা, ডিনো মারিয়া, আদিত্য রায় কাপুরদের।
রাজনীতিকদের মধ্যে বাবুল সুপ্রিয়, মনোজ তিওয়ারির খেলার কথা। ওই দিন মাঠে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন।

- See more at: http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/121312#sthash.6nvfw7dB.dpuf

তামিমের নতুন রেকর্ড

2ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে নতুন রেকর্ড গড়লেন টাইগার ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ৬ হাজার রানের মাইলফলক অতিক্রম করেন বর্তমানে আবাহনীর এই অধিনায়কমঙ্গলবার সাভারের বিকেএসপিতে গাজী গ্রুপের বিপক্ষে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পান আবাহনীর তামিম। ৫ হাজার ৯৬২ রান নিয়ে ইনিংস শুরু করা তামিমের এ মাইলফলক অতিক্রম করতে প্রয়োজন ছিল ৩৮ রান। দারুণ ছন্দে থাকা তামিম এদিন খেলেন ৫৫ রানের দারুণ এক ইনিংস। ফলে তার রান হয় ৬০১৭।
ইনিংসের ১৮তম ওভারে পাকিস্তানের সাঈদ আনোয়ার জুনিয়রের বলবাউন্ডারি হাঁকিয়ে রেকর্ড বুকে নিজের নাম লিখান তামিম। তবে একই দিনে এ রেকর্ড গড়ার হাতছানি ছিল মোহামেডানের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমেরও। রানের খাতা খোলার আগেই রুবেলের বলে সাজঘরে ফিরেন মোহামেডানের অধিনায়ক।
লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যান
তামিম ইকবাল ৬০১৭ রান
মুশফিকুর রহিম ৫৯০৩ রান
সাকিব আল হাসান ৫২৭৬ রান
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৫০৮০ রান
মোহাম্মদ আশরাফুল ৪৬৭১ রান

ভিয়েতনামের কাছে অস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র


obama-vietnamএক সময়ের শত্রু বলে বিবেচিত দেশ ভিয়েতনামের কাছে অস্ত্র বিক্রির ওপর আরোপ নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্র শিথিল করতে যাচ্ছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
ভিয়েতনাম সফরে দেশটির কম্যুনিস্ট নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে এ ঘোষণা দেন মি. ওবামা।
ভিয়েতনামের কাছে অস্ত্র বিক্রির ওপর যে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, মি. ওবামার সফরের সময় সেটি প্রত্যাহার করার ঘোষণা আসবে এমন একটি প্রত্যাশা ছিল ভিয়েতনাম সরকারের।
সেই প্রত্যাশায় সাড়া দিয়েই এ ঘোষণা দিলেন মি. ওবামা।
হ্যানয়ে দেশটির ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে এক সময়ের বৈরি দুটি দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে নানান বিষয়ে সহযোগিতার হার বাড়ছে বলে উল্লেখ করে সেটিকে আরো এগিয়ে নেবার আশ্বাস দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Sunday, May 15, 2016

সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শিশুর মৃত্যু : ক্ষতিপুরণ দিতে হাইকোর্টের রুল



চাঁদপুরে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় বিআইডব্লিউটিএ’র নিষ্ক্রিয়তা, ব্যর্থতা ও অবহেলাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবেনা তা জানতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সাথে রুলে নিহতের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।
আজ রোববার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো: ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে দায়ের করা এক রিট আবেদনের শুনানি গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।
একই সাথে আদালত আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বিঅইডব্লিউটিএ’র সারা দেশে কতগুলো ঢাকনাবিহীন সেপটিক ট্যাং, পাইপ, কুপ, নলকুপ আছে সেগুলোর একটি তালিকা আদালতের কাছে জমা দিতে বলেছেন।
এছাড়া আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট সচিব, বিআই ডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান, ডেপুটি ডিরেক্টর, চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি), সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), নির্বাহী অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিট আবেদনের পক্ষে অদালতে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নী জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারী শিশু আসমা আক্তার পাখি চাঁদপুরের হরিণা ফেরিঘাট এলাকার একটি খেলার মাঠে খেলতে গিয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র বাথরুমের ঢাকনাবিহীন সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে।
এ বিষয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। চিলড্রেন চ্যারিটি বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন বিষয়টি নজরে এনে হাইকোর্টে ১৩ মে রিট অবেদন করেন। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি করে অদালত এ আদেশ দেন।
এ বিষয়ে রিটকারী আইনজীবী আব্দুল হালিম বলেন, এ ঘটনায় অমরা প্রথমে বিবাদীকে একটি লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করি, যথাযথ জবাব না দেয়ায় অমরা উচ্চ অদালতে রিট আবেদন করি। শুনানি শেষে অদালত এ আদেশ দেন।

নয়াপল্টনে মিলাদে মারামারি, ২ শ্রমিক দল নেতা আহত

9রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ মাহফিলে শ্রমিক দলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে সংগঠনটির দুই নেতা আহত হয়েছেন। রবিবার বিকালে এ সংঘর্ষ হয়। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- ঢাকা মহানগর শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক ও ধানমন্ডি থানার শ্রমিক দলের সেক্রেটারি আবু কায়সার ভূঁইয়া (৪০) এবং ঢাকা মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ও ধানমন্ডি থানার শ্রমিক দলের সহসভাপতি বাবুল সরদার (৪৫)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আসর নামাজের পর নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের নিচে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা ও শ্রমিক দলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাফরুল হাসানের রোগ মুক্তি কামনায় মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মিলাদ শেষে শ্রমিক দলের দুপক্ষের লোকজন হকিস্টিক ও লাঠি নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে শ্রমিক দল নেতা আবু কায়সার ভূঁইয়া ও বাবুল সরদার গুরুতর আহত হন। দ্রুত উদ্ধার করে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে বাবুল সরদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোজাম্মেল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

কোরআন গবেষণা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা

2কাগজ অনলাইন ডেস্ক: ইদানীং অনেককেই দেখা যায় পবিত্র কোরআন ও হাদিস চর্চা করছেন। বিষয়টি অবশ্যই ইতিবাচক। তবে অনেকেই কাজটি করতে যেয়ে কিছু ভুল করছেন। ফলে এটা নিয়ে নানা সময় নানা বির্তক সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে যারা কোরআনে কারিমের মাঝে বিজ্ঞানের অনুসন্ধান নিয়ে সদাব্যস্ত; তারা এই ভুলটি বেশি করছেন।
প্রথমতঃ এমন গবেষকদের অনেকেরই ব্যক্তিগত আমল ত্রুটিপূর্ণ। দাঁড়ি-টুপি ইত্যাদি তো দূরের কথা, নামাজ-রোজা-পর্দার ধারেকাছেও নেই অনেকে। অথচ পরকালের মুক্তি নির্ভর করছে খাঁটি মনে শরিয়তের যথাযথ অনুসরণের ওপর। কোরআনে কারিমের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বের করার ওপর নয়।
আল কোরআনে যারা বিজ্ঞানের থিওরি খুঁজে বেড়ায়, তাদের আরও একটি স্বভাব হলো, তারা হাদিস নিয়ে ততোটা মাথা ঘামায় না; যতোটা মাথা ঘামায় কোথায় কোন বৈজ্ঞানিক কি আবিষ্কার করলেন, কোন পাশ্চাত্য দার্শনিক কি বললেন- সে বিষয়ে। আর সাহাবা (রা.) এবং তাবেয়িদের (রহ.) উক্তি তো তারা শুনতেও নারাজ!
এই শ্রেণির লোকেরা আব্বাসীয় শাসনকালকে (৭৫০ খ্রি.-১২৫৮ খ্রি.) ইসলামের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম সময় বলে ধারণা করেন। কারণ মুসলমানরা তখন জ্ঞান-বিজ্ঞানে প্রভূত উন্নতিসাধন করেছিলো। কিন্তু এমন ধারণাও একটি ভুল। এমন ধারণা ইসলামের আকিদা বিরোধী। কারণ, পবিত্র হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘সর্বোত্তম যুগ হচ্ছে আমার যুগ, অতঃপর আমার পরবর্তীদের যুগ, অতঃপর তাদের পরবর্তীদের যুগ।’
তাদের আরও একটি ভুল মনোভাব হলো, তারা সর্বদা বলে বেড়ায় বর্তমানে বিশ্বের সর্বত্র মুসলমানরা যে হারে লাঞ্ছিত-অপমানিত হচ্ছে- তার মূল কারণ হিসেবে তারা চিহ্নিত করেন আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলমানদের অনগ্রসরতাকে। অথচ মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে কারিমে ইরশাদ করেছেন, ‘আর তোমরা নিরাশ হয়ো না ও দুঃখ করো না এবং তোমরাই বিজয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।’ -সূরা আল ইমরান: ১৩৯
এ প্রসঙ্গে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি যা এনেছি তার প্রতি পুরোপুরি অনুগত হবে।’ -শরহে সুন্নাহ

অন্যের কষ্ট দূর করাও ইবাদত

20-originalযারা জেনে-বুঝে মানুষকে কষ্ট দেয়, তাদের ঈমান নিয়ে সংশয় রয়েছে। এ ধরনের চরিত্র ও ঈমান পাশাপাশি একসাথে চলতে পারে না। মানুষের ক্ষতি করা বা তাদেরকে কষ্ট দেয়া কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত।
এমনকি আল্লাহর রাসূল (সা.) এ ধরনের লোককে মুসলিম বলতেও নারাজ। তিনি বলেছেন, ‘সেই ব্যক্তি মুসলিম, যার মুখ ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকেন।’
সুতরাং কোনো মুসলিম অন্য কোনো মুসলিমকে কষ্ট দিতে পারেন না। যদি কষ্ট দেন তবে তিনি অমুসলিম হিসেবে চিহ্নিত হবেন। আর এটি জুলুমও বটে। আল্লাহ ও তার রাসূল (সা.) জুলুম সম্পর্কে কঠিন কঠিন বাক্য প্রয়োগ করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘জুলুমবাজরা তাদের অত্যাচারের পরিণতি অচিরেই জানতে পারবে।’ (সূরা শুরা : ২২৭)
হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের পার্থিব কষ্টগুলোর মধ্য থেকে একটি কষ্ট দূর করে দেয়, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার একটি বড় কষ্ট দূর করে দেবেন। যে ব্যক্তি কোনো অভাবীর অভাবের কষ্ট লাঘব করে দেয়, আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতে তার অভাবের কষ্ট লাঘব করবেন। যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ গোপন রাখে, আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতে তার দোষ গোপন রাখবেন। বান্দা যতক্ষণ তার অপর মুসলিম ভাইয়ের সাহায্য করতে থাকে, আল্লাহও ততক্ষণ তাকে সাহায্য-সহায়তা করতে থাকেন। (মুসলিম শরিফ : ২৪৫ সংক্ষেপিত)।
মুসলিম শরিফের উল্লেখিত হাদিসটির প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মুসলমানদের এমন কতগুলো কাজের নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যা জীবন চলার পথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে মাত্র চারটি কাজ উল্লেখ রয়েছে— ১. কষ্ট দূর করে দেয়া, ২. অভাব লাঘব করা, ৩. দোষ গোপন করা ও ৪. সাহায্য করা।
হজরত আবু মাসউদ (রা.) বলেন, আমি একজন ভৃত্যকে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছিলাম। এ সময় আমার পশ্চাতে একটা শব্দ শুনলাম : ‘জেনে রেখো, হে আবু মাসউদ! আল্লাহ তায়ালাই তোমাকে এ ভৃত্যের ওপর কর্তৃত্ব দিয়েছেন।’ আমি বললাম : ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি আর কখনো দাস-দাসী ও চাকর-চাকরানিকে প্রহার করব না। আমি ওকে স্বাধীন করে দিলাম। রাসূলে করিম (সা.) বললেন, ‘এ কাজটি না করলে আগুন তোমাকে কেয়ামতের দিন ভস্মীভূত করে দিত।’ (সহিহ মুসলিম)

বিশ্বনবিকে আল্লাহ তাআলার সান্ত্বনা প্রদান

Quran-To বিশ্বমানবতাকে সঠিক পথে সন্ধান দিতে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আগমনে পর সমগ্র দুনিয়ার ইসলাম বিদ্বেষী শক্তি বিশ্বনবিসহ ইসলাম এবং মুসলমানের ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। ইসলামের প্রাথমিক যুগে এ অল্প সংখ্যক মুসলমানকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ অগ্রযাত্রায় যাতে মনোবল ভেঙ্গে না পড়ে, সে জন্য আল্লাহ তাআলা ইয়াহুদি-খ্রিস্টান ও মুশরিকদের প্রচণ্ড বিরোধীতা, আক্রমন ও লোভনীয় প্রস্তাবের সময়ও বিশ্বনবিকে সান্ত্বনা দেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘ইয়াহুদি-খ্রিস্টানরা কখনোই আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষণ না আপনি তাদের ধর্মাদর্শ অনুসরণ করে চলতে থাকেন। (হে রাসুল!) আপনি সুস্পষ্ট ভাষায় বলে দিন, পথ মাত্র একটিই, যা আল্লাহ তাআলা বাতলে দিয়েছেন। অন্যথায় আপনার নিকট যে জ্ঞান এসেছে, তারপরও যদি আপনি তাদের বাসনা ও ইচ্ছা অনুযায়ী চলতে থাকেন; তাহলে আল্লাহর পাকড়াও থেকে রক্ষাকারী আপনার কোনো সাহায্যকারী বা বন্ধু থাকবে না। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১২০)
এ আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, ‌আপনি ইসলাম বিদ্বেষীদের যতই মন যুগিয়ে চলুন বা তাদের প্রতি সহমর্মিতা ও সমবেদনা প্রকাশ করুন, তারা কিছুতেই আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না।
তাদের অসন্তুষ্টির কারণ হলো হিংসা ও বিদ্বেষ। যার কোনো চিকিৎসা নেই। আল্লাহ তাআলা বিশ্বনবিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি তাদের ইচ্ছা মতো বাইতুল মুকাদ্দাসকে ক্বিবলা মেনে নামাজ আদায় করেছেন। এতে তাদের হিংসা এবং বিদ্বেষ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তাদের মনোবাসনা হলো- আপনি তাদের রঙে রঞ্জিত হয়ে যান। তাদের চরিত্রে চরিত্রবান হোন। তবেই তারা আপনাকে সাহায্য-সহযোগিতা করবে। যা কখনো সম্ভব নয়।
সুতরাং এ আয়াতে উম্মাতে মুহাম্মাদির জন্য শিক্ষা হলো- ইয়াহুদি-খ্রিস্টানসহ সকল বাতিল ধর্মের অনুসরণ থেকে বিরত থাকা। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিশ্বনবির রিসালাতের দাওয়াত অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা এবং কুরআন এবং সুন্নাহকে আঁকড়িয়ে ধরা। আল্লাহ তাআলা যা মুসলিম উম্মাহর জন্য প্রদান করেছেন। তবেই বান্দার জন্য আল্লাহ তাআলার সাহায্য সুনিশ্চিত।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম মিল্লাতকে এ আয়াত থেকে স্বান্ত্বনা গ্রহণ করে সকল দুঃখ-দর্দশা ও অসহায়ত্বেও ইসলামের সুশীলত ছায়াতলে ধৈর্য সহকারে আশ্রয় গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লাইলাতুল বরাত : আমাদের করণীয়

Lailatulহাদিসে ‘লাইলাতুন নিছফি মিন শাবান’ বলে ১৪ই শাবান দিবাগত রাতকে বুঝানো হয়েছে। এ রাতের ইবাদাত বন্দেগি তথা ফজিলত নিয়ে সমাজে মারাত্মক বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির পরিলক্ষিত হয়। যা একেবারেই কাম্য নয়। এ রাতের ফজিলত ও তাৎপর্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। তাই বলে বিশেষ কোনো পন্থায় রাত উদযাপন, ইবাদাত-বন্দেগির নতুন নতুন পন্থা উদ্ভাবন না করে বেশি বেশি ইবাদাত-বন্দেগি করা উত্তম। এ রাত সম্পর্কিত হাদিসের বর্ণনা তুলে ধরা হলো-
১. মুআয ইবনে জাবাল রা. বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘‘আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে (শাবানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতে) সৃষ্টির প্রতি (রহমতের) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতিত আর সবাইকে মাফ করে দেন।’(ইবনে হিববান, ‘‘সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহা)
২. ‘‘হযরত আলা ইবনুল হারিস রাহ. থেকে বর্ণিত, আয়েশা রা. বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে নামাযে দাঁড়ান এবং এত দীর্ঘ সেজদা করেন যে, আমার ধারণা হল তিনি হয়ত মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি উঠে তার বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিলাম। তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়ল। যখন তিনি সেজদা থেকে উঠলেন এবং নামায শেষ করলেন তখন আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আয়েশা অথবা বলেছেন, ও হুমাইরা, তোমার কি এই আশংকা হয়েছে যে, আল্লাহর রাসূল তোমার হক নষ্ট করবেন? আমি উত্তরে বললাম, না, ইয়া রাসূলুল্লাহ। আপনার দীর্ঘ সেজদা থেকে আমার আশংকা হয়েছিল, আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কিনা। নবীজী জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি জান এটা কোন্ রাত? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন ইরশাদ করলেন-
‘এটা হল অর্ধ-শাবানের রাত। (শাবানের চৌদ্দ তারিখের দিবাগত রাত।) আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে তাঁর বান্দাদের প্রতি মনোযোগ দেন এবং ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন এবং অনুগ্রহপ্রার্থীদের প্রতি অনুগ্রহ করেন আর বিদ্বেষ পোষণকারীদের ছেড়ে দেন তাদের অবস্থাতেই।’ ( বাইহাকি)
৩. হজরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা আরো বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাবান মাসের চেয়ে অন্য কোনো মাসে এতো বেশি (নফল) রোজা রাখতেন না। (বুখারি, মুসনাদে আহমাদ) সুতরাং এ মাসে নফল রোজা ও নফল ইবাদাতের করাও উত্তম।

Citadel military college bans prospective Muslim student from wearing headscarf

The Citadel military college has barred a newly accepted Muslim student from wearing a headscarf.The Citadel military college has decided a newly accepted Muslim student cannot wear her traditional Muslim headscarf if she enrolls.
The South Carolina school announced Tuesday that commandant of cadets Geno Paluso decided that allowing the student to wear the head covering, known as a hijab, wouldn’t be consistent with the school’s policy of having cadets look similar.
The school in Charleston is known for its buttoned-up uniforms and close-cropped haircuts that represent the sacrifice of one’s self for the greater goals of the unit.
“Uniformity is the cornerstone of this four-year leader development model. The standardization of cadets in apparel, overall appearance, actions and privileges is essential to the learning goals and objectives of the college,” Citadel president and retired lieutenant general John Rosa said in a statement.
The Citadel will continue to provide for any cadet’s spiritual needs when it can, such as providing special diets or time for prayer and driving cadets to their places of worship if they don’t have a car, Rosa said.
The president said he hoped the student, whose name and hometown have not been released, would still attend the Citadel in the fall.
But the woman will not attend the school unless there is a change, a spokesman for the family, Ibrahim Hooper, with the Council on American-Islamic Relations in Washington DC, said Tuesday.
Hooper said the family was considering legal options after the school’s rejection.
The woman was crying this morning after getting the call, Hooper said.

Palestine: Israeli airstrike kills Palestinian woman in Gaza

Palestine: Israeli airstrike kills Palestinian woman in GazaGAZA, (AA): The Palestinian Ministry of Health in Gaza reported Thursday that a woman was killed in an Israeli airstrike.
“Zina al-Amour, 55, was killed when Israeli airplanes struck the Al-Foukahre area in the eastern Khan Younes city in the Gaza strip,” the Ministry of Health said in a statement
“Al-Amour was instantly killed after she was hit by fragments from a missile fired by an Israeli aircraft,” it said.
One Palestinian, identified as Khozeima al-Farra, 21, was injured in the bombardment.
The Israeli army, for its part, said that warplanes targeted four Hamas military posts in the southern Gaza Strip in response to the ongoing attacks against Israeli forces.
On Wednesday, clashes erupted between the Israeli army and Palestinians militants on the Israel-Gaza borders.
Earlier in the day, the Israeli army said that a mortar projectile was shot at military forces that were located near its borders in southern Gaza Strip.
In July and August of 2014, Israel waged a weeks-long military offensive against the Gaza Strip with the ostensible aim of staunching rocket fire from the coastal enclave.
Over 2,160 Palestinians in Gaza, mostly civilians, were killed — and some 11,000 injured — during the 51-day onslaught.
[Photo: Relatives of Zine al-Umur, 55, who lost her life after Israeli warplanes bombed around Gaza’s southern, during a funeral ceremony in east of the Rafah city, Gaza on May 5, 2016. Photographer: Ali Jadallah/AA]

Myanmar Muslim leader urges calm amid ‘incitement’ by Buddhist monk

Myanmar Muslim leader urges calm amid ‘incitement’ by Buddhist monkYANGON, (AA): One of Myanmar’s top Muslim leaders urged calm Tuesday, after he accused a militia-style monk and his disciples of trying to incite violence by building an unauthorized Buddhist structure in the shadow of a mosque in the country’s southeast.
“These are people who want to create an unstable situation [between the majority Buddhists and minority Christians and Muslims],” Tin Maung Than, secretary-general of the country’s official Muslim body, the Islamic Religious Affairs Council Myanmar, told Anadolu Agency by phone Tuesday.
“We request our people not to quarrel with them. We don’t want to see inter-communal violence anymore.”
On Monday evening, powerful Buddhist monk Thu Zana, known as Myaing Gyi Ngu Sayadaw (abbot), and his disciples constructed a stupa — a mound-like or hemispherical structure containing Buddhist relics — in Shwe Gone village in Karen State despite objections from mosque caretakers and regional government officials.
It was the second such attempt to push Buddhism in the area in the past week, after Thu Zana, the key person in the Karen Buddhist rebel group the Democratic Karen Buddhist Army (DKBA), built an unauthorized stupa near a Christian church.
Tin Maung Than said that during the country’s years of junta rule Sayadaw had ordered his followers to demolish a mosque with dynamite in Thakhutkone village in Karen state after Muslims refused to leave.
“We believe they don’t represent the Buddhist community [at large],” he added.
The Myanmar Times reported Tuesday that authorities in Karen state have said that they will not allow the abbot to build more stupas in compounds of other religions.
It quoted State Minister for Religious Affairs U Min Tin Win as expressing his disappointment, saying such actions could cause conflict between religious groups.
“We will not damage the Buddhist image. This issue needs to end now and we don’t want to see this anymore,” he added.

US against sanctions for Ahrar Al-Sham, Jaysh al-Islam

US against sanctions for Ahrar Al-Sham, Jaysh al-IslamWASHINGTON (AA) – The U.S. does not support placing Ahrar Al-Sham and Jaysh al-Islam on a U.N. sanction’s list, the State Department said Wednesday.
“We don’t want to see that happen,” said spokesman Mark Toner said. “We think that that would have damaging consequences to the cessation.”
Sanctioning the two groups that are parties to a cessation of hostilities agreement in Syria, would be an obstacle as the U.S. tries to “de-escalate the situation on the ground”, Toner said. “We don’t believe that that’s constructive.”
The truce in Syria agreed to by the U.S. and Russia — co-chairs of International Syria Support Group working to find a solution to the crisis in the country — excluded Daesh and al-Nusra.
Russia’s Permanent Representative to the U.N., Vitaly Churkin, recently proposed the U.N. place sanctions on Ahrar Al-Sham and Jaysh al-Islam, claiming the groups were linked to al-Qaeda and Daesh.
The request had been previously proposed by Russia, Toner said.

Friday, May 13, 2016

Saudi firms cope with austerity but more pain lies ahead


Saudi firms cope with austerity but more pain lies ahead
DUBAI, May 4 ( Reuters ) - Saudi Arabian companies are faring better in an era of austerity than many investors feared, but they face more pain in the coming months as gains from cost-cutting and efforts to improve efficiency become more difficult.

The world's largest oil exporting country is in the grip of a protracted adjustment to low crude prices, which have caused a state budget deficit of nearly $100 billion and forced the government into spending cuts.

For decades, almost every corner of the economy has depended on lavish flows of petrodollars, so the austerity is bad news for Saudi corporate earnings.

Last December, the government announced its harshest set of measures so far, in the form of subsidy cuts that raised domestic prices of gasoline, electricity, water and the natural gas feedstock used by the petrochemicals industry.

The first-quarter earnings of listed Saudi companies, released over the last few weeks, show that many are managing to avoid a steep slide in profits.

The combined net profits of the 50 biggest companies by capitalisation, which account for the vast bulk of all earnings in the stock market, fell only 3.0 percent from a year ago to 19.88 billion riyals ($5.4 billion), Reuters calculations show.

That was much better than the expectations of many analysts, who had believed profits might drop at least as steeply as they did in full-year 2015, when earnings shrank 13.9 percent.

Nevertheless, there were big differences in first-quarter performance between individual sectors, with industries directly exposed to consumer demand, such as retailing, hit hard.